1. atherabeed4@gmail.com : abeed bhai : abeed bhai
  2. admin@jawabazarerdak.com : ডাক ডেস্ক :
  3. nafisatef94@gmail.com : Nafis Fuad Atef : Nafis Fuad Atef
  4. Kingmusharrof1992@gmail.com : মোশাররফ হোসেন : মোশাররফ হোসেন
  5. abubakarchy97@gmail.com : Siddik Chowdhury : Siddik Chowdhury
ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ হওয়া উচিত ড. মুহাম্মদ ইউনুস  - সত্য ও ন্যায় এর কথা বলে
মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইউএনও’র বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রতিবাদে ছাতকে সহস্রাধিক মানুষের মানববন্ধন জাউয়া বাজার ডিগ্রি কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত ছাতক-দোয়ারাবাজার রুটে ভারতীয় গরু-মহিষের নিরাপদ করিডোর, রমরমা রশিদ বাণিজ্য ছাতকে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় মদসহ আটক তিন মাদক ব্যবসায়ী এক হাতে বাহিনী, অন্য হাতে স্বাবলম্বিতা: আনসার সদস্য হাবিবুর রহমানের সাফল্যের গল্প ঝাড়ু মিছিল গাজীপুরের কালিয়াকৈরে: জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই ছাতকে যুবলীগ নেতা শাহিনের নেতৃত্বে পুলিশের উপর হামলা, দুই সদস্য কুপিয়ে জখম দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতিবন্ধকতা শেষ হয়নি: মিজান চৌধুরী দক্ষিণ সুনামগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর বাড়িতে পুলিশি অভিযান ছাতকে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে উপজেলা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ হওয়া উচিত ড. মুহাম্মদ ইউনুস 

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ হওয়া উচিত ড. মুহাম্মদ ইউনুস 

 

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারিত হওয়া উচিত বলে মনে করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, আমি মনে করি, ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারিত হওয়া উচিত। নির্বাচন সংস্কার কমিশন কী সুপারিশ করবেন, তা আমার জানা নেই। কিন্তু দেশের বেশির ভাগ মানুষ যদি কমিশনের সুপারিশ করা বয়স পছন্দ করে, ঐকমত্যে পৌঁছানোর জন্য আমি তা মেনে নেব।

শুক্রবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত ‘ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে এ কথা বলেন ড. ইউনূস। সংলাপে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টা। এই সংলাপের স্লোগান হচ্ছে

সংস্কার ও নির্বাচনের প্রস্তুতি একই সঙ্গে চলতে থাকবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতির কাজ মূলত নির্বাচন কমিশনের। নাগরিকদের নির্বাচনের তারিখ না পাওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ায় সময় দিতে হয় না।

কিন্তু সংস্কারের কাজে সকল নাগরিককে অংশগ্রহণ করতে হবে। যারা ভোটার, তারা তো অংশগ্রহণ করবেনই, তার সঙ্গে যারা ভবিষ্যতে ভোটার হবেন, তারাও সর্বাত্মকভাবে সংস্কারের কাজে নিজেদের নিয়োজিত করুন।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী জানুয়ারি মাসে সংস্কারের জন্য গঠিত ১৫টি কমিশনের প্রতিবেদন জমা হবে। প্রত্যেক সংস্কার কমিশনের দায়িত্ব হলো প্রধান বিকল্পগুলো চিহ্নিত করে তার মধ্য থেকে একটি বিকল্পকে জাতির জন্য সুপারিশ করা।

যার যার ক্ষেত্রে সংস্কারের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কীভাবে রচিত হবে, তা বিভিন্ন পক্ষের মতামত নিয়ে সুপারিশমালা তৈরি করে দেওয়া, নাগরিকদের পক্ষে মতামত স্থির করা, সহজ করে দেওয়া।
ড. ইউনূস বলেন, কমিশনের প্রতিবেদনে সুপারিশ করলেই আমাকে-আপনাকে তা মেনে নিতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। এ জন্য সর্বশেষ পর্যায়ে জাতীয় ঐকমত্য গঠন কমিশন গঠন করা হয়েছে।

ন‍্যায়ভিত্তিক সমাজ নির্মাণ ছাড়া জুলাইয়ের শহীদদের আত্মদান অর্থবহ হতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফ‍্যাসিবাদ বাংলাদেশকে আদর্শভিত্তিক সকল রকমের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করে গভীর অন্ধকারের দিকে আমাদের নিয়ে গিয়েছিল। আমরা আবার প্রিয় বাংলাদেশকে সাম‍্য, মানবিক মর্যাদা ও ন‍্যায়বিচারের পথে ফেরানোর লক্ষ‍্যে কাজ করছি।

সংলাপে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন-এই তিন লক্ষ্যের কোনোটিকে ছাড়া কোনোটি সফল হতে পারবে না। ঐক্যবিহীন সংস্কার কিংবা সংস্কারবিহীন নির্বাচন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে পারবে না। পাশাপাশি আমরা ভুলতে পারি না যে আমাদের ছাত্র-জনতা অটুট সাহসে শিশুহত্যাকারী ও পৈশাচিক ঘাতকদের মোকাবেলা করেছে। মানবতার বিরুদ্ধে এমন নিষ্ঠুরতাকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কেবল বাংলাদেশকে মুক্তই করেনি, আমাদের স্বপ্নকেও তুমুল সাহসী করে তুলেছে। বাকহীন বাংলাদেশ জোরালো কণ্ঠে আবার কথা বলার শক্তি ফিরে পেয়েছে। এই দৃঢ় কণ্ঠ আবার ঐক্য গঠনে সোচ্চার হয়েছে, যোগ করেন ড. ইউনূস।

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, যত নিম্ন আয়ের পরিবারেই জন্মগ্রহণ করুক না কেন- প্রতিটি নাগরিকের, নারী কিংবা পুরুষ হোক তিনি যেন বিনা বাধায় তো বটেই, বরং রাষ্ট্রের আয়োজনে তার সৃজনশীলতা প্রকাশ করে যেকোনো পর্যায়ের উদ্যোক্তা হতে পারেন। অথবা তিনি যে ধরনের কর্মজীবন চান, তাই বেছে নিতে পারবেন। এমন রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় পরিবেশ থাকবে, যেখানে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু এই পরিচিতি অবান্তর হয়ে পড়বে। সবার একটিই পরিচয়- আমি বাংলাদেশের নাগরিক এবং রাষ্ট্র আমাকে আমার সব অধিকার দিতে বাধ্য।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, স্বাধীনতার পর অর্ধশতাব্দী অতিক্রম করে আমরা এক ঐতিহাসিক আত্মত্যাগের বিনিময়ে এক অপূর্ব সুযোগের মুহূর্ত সৃষ্টি করেছি। এই সুযোগ যদি আমরা গ্রহণ করতে অনিচ্ছুক কিংবা অপারগ হই, তাহলে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের কোনো প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।

 

সূত্র – কালের কন্ঠ

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

© All rights reserved © jawabazarerdak @Gadgetgallery IT Service

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD